News

আত্মসাতের শাস্তি তাহলে হয়রানিমুক্ত জীবন

September 30, 2020

পালিয়ে থাকা প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদার দেশে ফিরতে চান। এ জন্য তিনি নিরাপত্তাও চেয়েছেন। দেশে ফিরে তিনি আত্মসাৎ করা অর্থ ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করবেন বলেও চিঠি দিয়েছেন। বহুল আলোচিত পি কে হালদার আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেডের (আইএলএফএসএল) সিংহভাগ ঋণের সুবিধাভোগী। এ নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক অনুসন্ধান করে পি কে হালদারকে দায়ী করেছে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তাঁকে একাধিকবার তলব করলেও তিনি হাজির হননি। রাতের অন্ধকারে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান তিনি। আর গ্রাহকেরা অর্থ না পেয়ে এখনো দরজায় দরজায় ঘুরছেন। এত কিছুর পরও তিনি এখন হয়রানিমুক্ত জীবন চাইছেন। অর্থাৎ অর্থ আত্মসাতের মতো বড় ধরনের অপরাধ করেও কোনো শাস্তি হবে না। বিশ্বের অন্য কোনো দেশে এ রকম কোনো উদাহরণ আছে কি না, জানা নেই।

চীন ও ভিয়েতনামে শাস্তি মৃত্যুদণ্ড
ঋণখেলাপি, ব্যাংক থেকে অর্থ আত্মসাৎকারী এবং তাঁদের সহায়তা দেওয়া ব্যাংকারদের কোন দেশ কী শাস্তি দেয়, সেটা আগে বলি। উন্নত দেশগুলোসহ অনেক দেশেই এ নিয়ে আইন কড়া। অর্থ ফেরত দেওয়ার সামর্থ্য না থাকলে নিজেকে দেউলিয়া ঘোষণা করা যায়। সম্পদ বিক্রি করে পাওনা পরিশোধের ব্যবস্থা থাকে। একবার দেউলিয়া হলে আরাম-আয়েশের জীবন আর কাটানো সম্ভব হয় না।

তবে কঠোরতার দিক দিয়ে সবচেয়ে শক্ত অবস্থানে সম্ভবত চীন ও ভিয়েতনাম। ব্যাংক থেকে প্রায় ১১ কোটি ডলার আত্মসাতের জন্য ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে হেংফেং ব্যাংক কোম্পানির সাবেক চেয়ারম্যান জিয়াং শিউয়ানকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন চীনের আদালত।