মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে “যুদ্ধবীর” আখ্যা দিয়ে বলেছেন, তিনিও এই উপাধির যোগ্য, কারণ ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান ১২ দিনের যুদ্ধে তিনি মার্কিন বোমারু বিমানকে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
রক্ষণশীল রেডিও সঞ্চালক মার্ক লেভিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প—যার কোনো সামরিক অভিজ্ঞতা নেই—বলেছেন, “নেতানিয়াহু একজন ভালো মানুষ, লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি যুদ্ধবীর… আমি-ও বোধহয় তাই। আমি তো সেই বিমানগুলো পাঠিয়েছিলাম।” তিনি দাবি করেন, মার্কিন হামলায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি “সম্পূর্ণ ধ্বংস” হয়েছে, যা তিনি হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে ফেলা বোমার সঙ্গে তুলনা করেন।
তবে গত জুনে ফাঁস হওয়া এক মার্কিন প্রতিবেদনে বলা হয়, নাতাঞ্জ, ফোর্দো ও ইসফাহানে অবস্থিত ইরানের ভূগর্ভস্থ স্থাপনাগুলো ধ্বংস হয়নি এবং দেশটির সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের বড় অংশ আগেই সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।
যুদ্ধ শুরু হয় ১৩ জুন, যখন ইসরায়েল ইরানের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা, পারমাণবিক বিজ্ঞানী ও ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাগুলোতে বিমান হামলা চালায়। পাল্টা জবাবে ইরান ৫৫০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও এক হাজার ড্রোন নিক্ষেপ করে, যাতে ইসরায়েলে ২৮ জন নিহত হন এবং বিশ্ববিদ্যালয়, আবাসিক ভবন ও একটি হাসপাতালে আঘাত লাগে। ইরান কাতারে অবস্থিত একটি মার্কিন ঘাঁটিতেও হামলা চালায়।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প নেতানিয়াহুর প্রতি দৃঢ় সমর্থন জানিয়ে তাঁর চলমান দুর্নীতির বিচারকে “ডাইনী শিকার” আখ্যা দেন এবং ইসরায়েলকে বিচার বাতিল বা ক্ষমা ঘোষণার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “আমেরিকা বিবি নেতানিয়াহুকে রক্ষা করবে।”
এই বিভাগের আরও খবর
ট্রেন্ডিং
সর্বাধিক পঠিত
- সাতক্ষীরা জেলার দুজন সাংসদকে মন্ত্রী দাবি
- বড় চমক থাকছে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে
- চাল আমদানি নিরুৎসাহিত করতে শুল্কের পরিমাণ বৃদ্ধি
- একাদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন বসছে ৩০ জানুয়ারি
- ঘুরে আসুন সাদা পাথরের দেশে
- ওয়ালটনের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডোর হয়েছেন জাতীয় দলের অধিনায়ক মাশরাফি
- শেখ হাসিনার যত রেকর্ড
- ঘুরে আসুন সিকিম
- অ্যাশ-ম্যাশের স্বাগত খুনসুটি
- ভোটারদের সঙ্গে সালমানের শুভেচ্ছা বিনিময়