পাকিস্তানের মনে কাঁপনই ধরে গেছিল। ৭ উইকেট পড়ে যাওয়া কোনো দলের পক্ষে ১২ বলে ২৯ রান নেওয়া কি সোজা কথা! নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে এই ম্যাচটি হারলে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায়ের শঙ্কা জেঁকে বসত তাদের ঘাড়ে। এই শঙ্কা থেকে পাকিস্তানকে বাঁচালেন ফাহিম আশরাফ। বাঁচাটি কি বড় ধরনের নয়?
সপ্তম ব্যাটার হিসেবে শাদাব খান আউট হয়ে যান ১৭তম ওভারের প্রথম বলে। পরের ১১ বলে মাত্র ৫ রান নিতে সক্ষম হয় তারা। ১৪৮ রানের লক্ষ্য পাওয়া পাকিস্তানের শেষ ১২ বলে দরকার পড়ে ২৯। এই অবস্থায় কয়জন পাকিস্তানের জেতা সম্ভব বলে ভেবেছিলেন? অসম্ভবকে সম্ভব করেন ফাহিম। ১৯তম ওভারে ২৪ রান তোলা এই অলরাউন্ডার জয় নিশ্চিত করেন ৩ বল হাতে রেখে। জয়টি ৩ উইকেটে।
২৪ রান তোলার ওভারে ফাহিম ছক্কাই মারেন ৩টি, ছিল একটি চারও। অবশ্য এই ওভারে ক্যাচও তুলে দিয়েছিলেন তিনি। ম্যাক্স ও’দাউদ ক্যাচ ছেড়ে দেওয়ায় পাকিস্তানি অলরাউন্ডার জীবন পান। জীবন পেয়ে জয়ও নিশ্চিত করেন। ১১ বলে অপরাজিত থাকেন ২৯ রান করে, শাহিন আফ্রিদি ৫ রান করে তাকে সঙ্গ দেন।
গ্রুপপর্বে প্রতি দলের ৪ ম্যাচের টুর্নামেন্টে কেউ প্রথম ম্যাচে হারলে বিদায়ের শঙ্কা জাগতে পারে না। কিন্তু পাকিস্তানের ব্যাপারটি আলাদা। তাদের বিদায়ের শঙ্কা জেগেছিল। দলটি আগেই ঘোষণা দিয়ে রেখেছে যে, ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি তারা খেলবে না। অর্থাৎ নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচের পর তাদের হাতে ২ ম্যাচ। এই দুই ম্যাচ জিতে সেরা দুই দলের একটি হয়ে টি-২০ বিশ্বকাপের সুপার এইটে যাওয়া তাদের জন্য অসম্ভব হয়ে পড়ত।
কলম্বোয় পাকিস্তান শুরুটা মন্দ করেনি। সাইম আইয়ুব ও সাহিবজাদা ফারহানের ঝড়ে ১১ ওভারের মধ্যেই ৯৮ রান তুলে ফেলে তারা। ব্যাটিংয়ে ধস নামে পরের ওভার থেকে, ১১৪ রান তুলতে তুলতে পড়ে যায় ৭ উইকেট।
এই বিভাগের আরও খবর
ট্রেন্ডিং
সর্বাধিক পঠিত
- সাতক্ষীরা জেলার দুজন সাংসদকে মন্ত্রী দাবি
- বড় চমক থাকছে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে
- চাল আমদানি নিরুৎসাহিত করতে শুল্কের পরিমাণ বৃদ্ধি
- একাদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন বসছে ৩০ জানুয়ারি
- ঘুরে আসুন সাদা পাথরের দেশে
- ওয়ালটনের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডোর হয়েছেন জাতীয় দলের অধিনায়ক মাশরাফি
- শেখ হাসিনার যত রেকর্ড
- ঘুরে আসুন সিকিম
- অ্যাশ-ম্যাশের স্বাগত খুনসুটি
- ভোটারদের সঙ্গে সালমানের শুভেচ্ছা বিনিময়