News

২০২৩ সালের মধ্যে ২.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছাবে ডিজিটাল টেক্সটাইল প্রিন্টিং কালির বাজার

January 25, 2020

শিল্প ৪.০ এর বিবর্তনের সাথে সাথে ডিজিটাল টেক্সটাইল প্রিন্টিং কালি প্রযুক্তি ক্রমাগত নিত্যনতুন গণ্ডি অতিক্রম করছে। অ্যালায়েডমার্কেটরিসার্চ অনুসারে বিশ্বব্যাপী ডিজিটাল টেক্সটাইল প্রিন্টিং কালি বাজারের মূল্য ২০১৬ সালে ৬৯৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ছিল যা ২০২৩ সালের মধ্যে ১৭.২% সিএজিআর (বার্ষিক যৌগিক বৃদ্ধি) হারে ২.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

প্রতিবেদনে অনুযায়ী, ২০১৬ সালে বাজারের এক-চতুর্থাংশেরও বেশি রিএক্টিভ কালির দখলে ছিল এবং ২০১৭ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ১৭.০% সিএজিআর হারে বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই সময়ে রঞ্জক কালি ১৮.৮% সিএজিআর হারে বৃদ্ধি পাবে বলে অনুমান করা হয়েছে। ব্যবহার অনুযায়ী ২০১৬ সালে বাজারের অর্ধেকেরও বেশি শেয়ার ডিসপ্লে এবং অন্যান্য বিভাগের দখলে ছিল। উত্তর আমেরিকায় ডিজিটাল টেক্সটাইল প্রিন্টিং কালির বাজারের অনুমিত সময়কালে ১৭.৬% সিএজিআর আশান্বিত হারে বৃদ্ধি পাবে।

২০১৭ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে ইউরোপে ডিরেক্ট ডিসপার্স কালি ১৭.২% সিএজিআর হারে বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।অন্যদিকে এশিয়া-প্রশান্ত এলাকায়, গৃহস্থালি ক্ষেত্রে ডিজিটাল টেক্সটাইল প্রিন্টিং কালি ব্যবহারের বাজার অনুমিত সময়কালে ২০.৭% সিএজিআর হারে বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নগরায়ণের দ্রুত বৃদ্ধি এবং কর্পোরেট ব্র্যান্ডিং ও বিজ্ঞাপনের চাহিদা বৃদ্ধির সাথে সাথে ডিজিটাল টেক্সটাইল কালির বাজার নতুন গতি লাভ করেছে। কম্পিউটার প্রিন্টিং এর ব্যবহারে সাবলাইমেশন রঞ্জক প্রিন্টারের চাহিদা বৃদ্ধির কারণে সাবলাইমেশন কালির চাহিদা সবচেয়ে বেশি হয়েছে।

এছাড়াও, রঙের স্থায়িত্বের সাথে সাথে এর মুদ্রণের দীর্ঘমেয়াদের কারণে রঞ্জক-ভিত্তিক কালিগুলোর চাহিদা প্রত্যাশিত ভাবে বাড়বে। টাচ প্যানেল এবং স্পেশাল ইফেক্টের ব্যবহারের চাহিদা বৃদ্ধির কারণে ২০১৬ সালে ডিসপ্লে বিভাগের বেশ বড় একটি বৃদ্ধি সাধিত হয়েছে।

টেক্সটাইল এবং গৃহসজ্জার ব্যবহার বৃদ্ধির দরুন পোশাক এবং গৃহস্থালি ক্ষেত্রে ডিজিটাল প্রিন্টিং কালি বাজারের লাভজনক বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ডিজিটাল টেক্সটাইল প্রিন্টিং কালির বাজার অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক যা কয়েকটি প্রধান কোম্পানি নিয়ে গঠিত। বাজারে শেয়ারের দিক দিয়ে বিশ্বব্যাপী কিছু বড় কোম্পানি বাজারে আধিপত্য বিস্তার করছেন। যেমন ডুপন্ট, হান্টসম্যান, জে কে গ্রুপ, করনিট, ডাইস্টার, এসপিজিপ্রিন্টস, বিএএসএফ, জে কেমিক্যাল, মারাবু, ডাউ কর্নিং, ইএফআই, সেন্সিয়েন্ট, ম্যাগনা কালারস, আনাজেট, প্রিন্ট-রাইট, ল্যান্যু, হংসাম, ইংকব্যাঙ্ক, ট্রেন্ডভিশন, ইংকউইন।

বাজারের প্রয়োজনীয়তা পূরণে উন্নত পণ্য উদ্ভাবনের জন্য বড় কোম্পানিগুলো মূলত আর অ্যান্ড ডি কাজে অর্থনৈতিকভাবে বিনিয়োগ করেছে। ইন্ডাস্ট্রিতে এই ধরণের কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে আনাজেট, বিএএসএফ, এসই, ডুপন্ট, হান্টসম্যান কর্পোরেশন, কেআইআইএন গ্রুপ, হংসাম, এসপিজি প্রিন্টস, ল্যানইউ ডিজিটাল, স্গ্রাস এবং করনিট ডিজিটাল।

এই প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত নয় কিন্তু ইন্ডাস্ট্রির অন্যান্য বিশিষ্ট কোম্পানিগুলো হল ম্যারাবু, জে কেমিক্যালস, ডাইস্টার, সেন্সিয়েন্ট কালার্স ইউকে লিঃ, জিসিডি ডিজিটাল ইঙ্কজেট টেকনোলজিস, ট্রেন্ডভিশন প্রযুক্তি, ম্যাজেলান কর্পোরেশন এবং প্রিন্ট রাইট হোল্ডিংস।