রিজার্ভের দ্রুত ক্ষয় নিয়ে দ্বিপক্ষীয় অংশীদাররা উদ্বেগে কি

চলতি অর্থবছরের (২০২৩-২৪) জুলাইয়ে বিদেশী ঋণের আসল ও সুদ হিসেবে প্রায় ২৫ কোটি ৩১ লাখ ডলার পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ। এক বছর আগে ২০২২-২৩ অর্থবছরের জুলাইয়ে ছিল ১৭ কোটি ৯০ লাখ ডলার। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) এ হিসাব অনুযায়ী, এক বছরের ব্যবধানে দেশে বিদেশী ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধ বেড়েছে ৪১ শতাংশের বেশি। বাংলাদেশী মুদ্রা টাকায় হিসাব করলে এ বৃদ্ধির হার দাঁড়ায় প্রায় ৬৪ শতাংশে।

বিদেশী ঋণ পরিশোধ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত কমে আসছে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। চলতি বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর দেশে রিজার্ভ ছিল ২১ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্র অনুসারে, এক বছর আগে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে বিপিএম ৬ হিসাবে রিজার্ভ ছিল আনুমানিক ২৯ থেকে ৩০ বিলিয়ন ডলার। গত বছর সেন্ট্রাল ব্যাংক বিপিএম ৬ পদ্ধতিতে হিসাব করত না।  আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণ নেয়ার পর চলতি বছরের জুন থেকে তা প্রকাশ করছে। গ্রস হিসাবে ২০২২ সেপ্টেম্বরে রিজার্ভ ছিল ৩৬ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলার। এখন তা নেমে এসেছে ২৭ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারে। সে হিসাবে বাংলাদেশের রিজার্ভ এক বছরে কমেছে প্রায় ৯ বিলিয়ন ডলার বা এক-চতুর্থাংশ।

আবার এ মুহূর্তে দ্বিপক্ষীয় অংশীদারদের কাছ থেকে নতুন ঋণের প্রতিশ্রুতিও তেমন একটা মিলছে না। ইআরডির তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাইয়ে দ্বিপক্ষীয় বৃহৎ অংশীদারদের মধ্যে জাপান ছাড়া আর কোনো দেশ নতুন করে কোনো ঋণের প্রতিশ্রুতি দেয়নি। বিশেষ করে ভারত, চীন ও রাশিয়ার মতো বৃহৎ অংশীদার দেশগুলোর কাছ থেকে কোনো ঋণেরই প্রতিশ্রুতি এ সময় পাওয়া যায়নি। এ সময় জাপান ঋণ সহায়তা দিয়ে যাওয়ার ধারাটি বজায় রাখলেও নতুন প্রতিশ্রুতি আসেনি।

এ সময় উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে আগে প্রতিশ্রুত ঋণের অর্থ ছাড় হয়েছে প্রায় ৪০ কোটি ৫৮ লাখ ডলার। এক্ষেত্রেও সিংহভাগ (২৫ কোটি ১৮ লাখ ডলার) এসেছে শুধু জাপান থেকে। এর বাইরে ছাড়কৃত অর্থও এসেছে মূলত এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) বা বিশ্বব্যাংকের অঙ্গভুক্ত আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (আইডিএ) মতো বহুপক্ষীয় অর্থায়নকারী সংস্থার কাছ থেকে।

বিষয়টি নিয়ে অর্থনীতিবিদসহ সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা হলো একদিকে ঋণের অর্থ পরিশোধে ব্যয় বাড়ছে, অন্যদিকে রিজার্ভের পরিমাণও দ্রুত কমে আসছে। এ দুয়ের প্রভাবে বৃহৎ উন্নয়ন সহযোগী দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা নিয়ে এক ধরনের আশঙ্কা দেখা দেয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এ অবস্থায় বাংলাদেশে নতুন কোনো ঋণের প্রতিশ্রুতি দেয়া বা অর্থ ছাড় করা নিয়ে এক প্রকার সতর্ক অবস্থান বজায় রাখছে দেশগুলো।

অর্থনীতিবিদ ও গবেষণা সংস্থা সানেমের নির্বাহী পরিচালক সেলিম রায়হান বণিক বার্তাকে বলেন, ‘চীন, ভারত ও জাপান আশঙ্কা করুক বা না করুক এটি আমাদের জন্য আশঙ্কাজনক। রিজার্ভ যেভাবে কমেছে, তাতে উদ্বেগের মাত্রা অনেক বেড়েছে। আমরা যে ঋণ নিয়েছি, সামনের দিনগুলোয় সেগুলোর কিস্তি পরিশোধের পরিমাণ আরো বাড়বে। আমাদের রেমিট্যান্স সংকুচিত হলে, ইন-ফ্লো থেকে আউট-ফ্লো বেশি হলে সেটি নিঃসন্দেহে উদ্বেগের। আগামী কয়েক মাসে এ অবস্থার নাটকীয় কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। ডিসেম্বর নাগাদ রিজার্ভ ফ্লো ২০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে আসার আশঙ্কা আছে। আমি জানি না পলিসি মেকারটা এটি নিয়ে কী চিন্তা করছে। বিশ্বব্যাংক বা এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) কাছ থেকে সফট ঋণ নেয়া গেলে তা ডলারের ইন-ফ্লো বাড়িয়ে কিছুটা হলেও সাহায্য করবে। এতে করে সাময়িক চাপ সামলানো যাবে হয়তো। কিন্তু এগুলো কোনো সমাধান না। সমাধান হতে হবে আমাদের মধ্যম মেয়াদে রফতানি, রেমিট্যান্স ও বিদেশী বিনিয়োগ বাড়ানোর মাধ্যমে। বিদেশী বিনিয়োগ যদি বড় পরিমাণে আনা যায়, সেটি আমাদের রিজার্ভের ওপর চাপ কমাবে।’

গত কয়েক বছরে দেশে বিদেশী ঋণ ব্যাপক মাত্রায় বেড়েছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরেও দেশে পুঞ্জীভূত বিদেশী ঋণের পরিমাণ ছিল ৪ হাজার ১১৭ কোটি ডলার। ২০২২-২৩ অর্থবছরের মার্চের মধ্যেই তা দ্বিগুণের বেশি হয়ে দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৫৭১ কোটি ডলারে। এর মধ্যে সরকারের বিদেশী ঋণের পরিমাণ ছিল ৭ হাজার ৩৫৩ কোটি ডলারের কিছু বেশি।

মূলত বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে সহায়তা হিসেবে অংশীদার দেশ ও সংস্থাগুলোর কাছ থেকে এ ঋণের অর্থ নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি থেকে শুরু করে সড়ক পরিবহন, রেলযোগাযোগ, অবকাঠামোসহ নানা খাতের প্রকল্পে এ ঋণের অর্থ বিনিয়োগ করা হয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোয় চীনা ঋণে প্রকল্প বাস্তবায়নের বিষয়টি বেশ আলোচনায় এসেছে। গত দুই দশকে বাংলাদেশে বিভিন্ন প্রকল্পে বিপুল পরিমাণ অর্থ ঋণ সহায়তা হিসেবে দিয়েছে চীন। বিশেষ করে দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং উচ্চাভিলাষী বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগ (বিআরআই) ঘোষণার পর থেকেই উন্নয়নশীল দেশগুলোয় চীনা ঋণ ও বিনিয়োগ ব্যাপক মাত্রায় বেড়েছে। যদিও এখন এতে কিছুটা শ্লথগতি দেখা যাচ্ছে। অর্থবছরের প্রথম মাসে দেশটি থেকে নতুন কোনো ঋণের প্রতিশ্রুতি বা অর্থ ছাড় পায়নি বাংলাদেশ।

ইআরডির তথ্য অনুযায়ী, স্বাধীনতার পর থেকে ২০২১-২২ অর্থবছর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন খাতে ঋণ ও অনুদান হিসেবে মোট ১ হাজার ৭৭ কোটি ডলারেরও বেশি অর্থ বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে চীন। এর মধ্যে প্রায় ৬৪৪ কোটি ডলার ছাড় হয়েছে। এর মধ্যে অনুদান খুবই সামান্য। সিংহভাগই এসেছে ঋণ হিসেবে। বাংলাদেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, সড়ক-পরিবহন অবকাঠামো, রেলওয়েসহ বিভিন্ন খাতের বৃহৎ প্রকল্পগুলোয় বড় অংকের বিনিয়োগ রয়েছে চীনের। তবে এ বিনিয়োগের একাংশ নিয়ে এরই মধ্যে কিছুটা কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলাও করতে হয়েছে বাংলাদেশকে। যৌথ বিনিয়োগে নির্মিত পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ঋণ পরিশোধ শুরুর এক বছরের মধ্যেই কিস্তি পরিশোধ নিয়ে বিভিন্ন সময় বিপত্তি দেখা দিয়েছে। ডলার সংকট ও কাঁচামালের স্বল্পতায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির উৎপাদন চালু রাখা নিয়েও চ্যালেঞ্জে পড়তে হয়েছে বাংলাদেশকে।

দেশের ইতিহাসের বৃহত্তম মেগা প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ হচ্ছে রাশিয়ার অর্থায়ন ও সহযোগিতায়। ইআরডির তথ্য অনুযায়ী, স্বাধীনতার পর থেকে ২০২১-২২ অর্থবছর পর্যন্ত বাংলাদেশকে রুশ ফেডারেশন ঋণ ও অনুদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে প্রায় ১ হাজার ২৩২ কোটি ডলার। এর মধ্যে সিংহভাগই (১ হাজার ১৩৮ কোটি ডলার) রূপপুর প্রকল্পের নির্মাণকাজের জন্য দেয়ার কথা রয়েছে। ২০২১-২২ অর্থবছর পর্যন্ত দেশটি ঋণ ও সহায়তা হিসেবে ৫৫০ কোটি ৬৪ লাখ ডলার ছাড় করেছে। চীনের মতো গত জুলাইয়ে রাশিয়াও নতুন কোনো প্রকল্পে ঋণের প্রতিশ্রুতি দেয়নি। আগে প্রতিশ্রুত ঋণেরও কোনো অর্থছাড় হয়নি।

বাংলাদেশকে গত জুলাইয়ে নতুন করে কোনো ঋণের প্রতিশ্রুতি না দিলেও ২১ লাখ ৮০ হাজার ডলারের অর্থছাড় করেছে প্রতিবেশী ভারত। স্বাধীনতার পর থেকেই বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে পরিচিত দেশটি। ইআরডির হিসাব অনুযায়ী, ২০২১-২২ অর্থবছরের শেষ পর্যন্ত ভারতীয় লাইন অব ক্রেডিটের (এলওসি) আওতায় বাংলাদেশে প্রকল্প নেয়া হয়েছিল ৪২টি। এর মধ্যে পূর্ণ বাস্তবায়ন হয়েছে ১৪টি। ওই অর্থবছরের শেষে বাস্তবায়ন পর্যায়ে ছিল আটটি। ১০টি ছিল ঠিকাদার নিয়োগ পর্যায়ে। আর প্রকল্প প্রস্তাব প্রণয়ন পর্যায়ে ছিল আরো ১০টি। স্বাধীনতার পর থেকে ২০২১-২২ অর্থবছর পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৭৯৯ কোটি ৫১ লাখ ডলারের ঋণ ও অনুদান সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ভারত। এর মধ্যে ছাড় হয়েছে ১৮১ কোটি ১০ লাখ ডলার।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে অর্থনীতিবিদ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বণিক বার্তাকে বলেন, ‘ডলার সংকটের পেছনে আমদানিতে উল্লম্ফন, বাণিজ্য তথ্যের গরমিল দেখিয়ে পুঁজি পাচার, বিগত বছরগুলোয় নেয়া ঋণের অর্থ পরিশোধ এবং উন্নয়ন সহযোগী দেশগুলোর কাছ থেকে পর্যাপ্ত ছাড় না হওয়া ইত্যাদি বিষয় মূল কারণ হিসেবে ভূমিকা রেখেছে। ক্রমাগতভাবে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ হ্রাসের কারণে এখন দেশে মূল্যস্ফীতিও ঘটছে। পাচার, হুন্ডি-হাওলা সংক্রান্ত বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে রিজার্ভের ক্ষয় থামানো কঠিন হয়ে পড়বে। সামনের দিনগুলোয় ঋণ পরিশোধের মাত্রা দিন দিন বেড়ে যাবে, যা সরকার তথা বাংলাদেশ ব্যাংকের অন্যান্য হিসাবেও দেখা যাচ্ছে। আমাদের সার্বিক লেনদেনের ভারসাম্যেও এর নেতিবাচক প্রভাব দেখা যাচ্ছে।’

বর্তমানে জাপানকে ধরা হয় দেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে। বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিক উন্নয়ন সহযোগিতা (ওডিএ) কর্মসূচির অধীনে এখন পর্যন্ত বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করেছে জাপান। টোকিওর এ উন্নয়ন সহযোগিতা বণ্টন হয় প্রধানত জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) মাধ্যমে। বাংলাদেশে জাইকার ওডিএ অর্থায়ন কার্যক্রম আরম্ভ হয় ১৯৭৪ সালে। ওই সময় থেকে ২০২১-২২ অর্থবছর পর্যন্ত মোট ২ হাজার ৮৭৮ কোটি ডলারের সমপরিমাণ ঋণ ও অনুদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে জাপান। এর মধ্যে ওই বছরের শেষ পর্যন্ত মোট ছাড় হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৮৪০ কোটি ডলারের সমপরিমাণ অর্থ।
এই বিভাগের আরও খবর
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়েছে এডিবি

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়েছে এডিবি

সমকাল
বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারদর কমেছে

বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারদর কমেছে

দৈনিক ইত্তেফাক
বাড়ছে নির্ভরতা : বছরে কৃষিপণ্য আমদানি ৮৭ লাখ টন!

বাড়ছে নির্ভরতা : বছরে কৃষিপণ্য আমদানি ৮৭ লাখ টন!

কালের কণ্ঠ
পাকিস্তানি ব্যাংক আলফালাহকে ৬০০ কোটি টাকায় কিনছে ব্যাংক এশিয়া

পাকিস্তানি ব্যাংক আলফালাহকে ৬০০ কোটি টাকায় কিনছে ব্যাংক এশিয়া

প্রথমআলো
ঢাকা রিজেন্সি হোটেল ও এনআরবি ব্যাংকের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি

ঢাকা রিজেন্সি হোটেল ও এনআরবি ব্যাংকের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি

বাংলা ট্রিবিউন
কার্বন ক্রেডিট মার্কেটের আকার দাঁড়াবে ১০ হাজার কোটি ডলার

কার্বন ক্রেডিট মার্কেটের আকার দাঁড়াবে ১০ হাজার কোটি ডলার

বণিক বার্তা
ট্রেন্ডিং
  • ভালোবাসা দিবসে পরী মনির ‘বুকিং’

  • নির্বাচনের আগে পাকিস্তানে জোড়া বিস্ফোরণে নিহত ২৮

  • ভিসা পদ্ধতি পুরোপুরি তুলে নিলো যে দেশ

  • শন্তিপূর্ণভাবে মানুষ যাতে ভোট দিতে পারে সে ব্যবস্থা করেছি: প্রধানমন্ত্রী

  • ২০৩৫ সালের মধ্যে চীনের পারমাণবিক অস্ত্র বাড়বে তিন গুণ

  • তানজানিয়ায় প্লেন দুর্ঘটনায় নিহত ১৯

  • ব্যাংকে ৫ কোটি টাকার বেশি থাকলে বেশি কর

  • কাতার বিশ্বকাপে ফিরছে জিদানের সেই ভাস্কর্য

  • ইন্দোনেশিয়ার নিষেধাজ্ঞায় তেলের মূল্য আকাশছোঁয়া

  • অবিশ্বাস্য কীর্তিতে হাজার রানের ক্লাবে এনামুল বিজয়